ফরিদ আলম সিকদার ,(কক্সবাজার) ০৩-১০-২৫
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আগামী দিনে রাষ্ট্র পরিচালনায় জননেতা জনাব তারেক রহমানকে ভবিষ্যতের রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেখে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দিকনির্দেশনায় মাঠ পর্যায়ে শুরু হয়েছে নির্বাচনী শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারের উদ্যোগ।
বিশেষ করে কক্সবাজার-৩ (সদর–রামু) আসনে কেন্দ্রীয় মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক ও স্থানীয় সাবেক সাংসদ সদস্য জনাব লুৎফর রহমান কাজল-এর হাতকে শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীরা একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় শৃঙ্খলা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকারের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
এতে শহর শ্রমিক দলের কার্যক্রমও নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। অতীতের তুলনায় বর্তমান সময়ে শ্রমিক দলের কর্মকাণ্ড চোখে পড়ার মতোভাবে সংগঠিত হচ্ছে। প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিট পর্যায়ে নেতৃত্বদের ঐক্য, কর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সাংগঠনিক দক্ষতার মাধ্যমে শহর শ্রমিক দল আজ নতুন গতি ও দিকনির্দেশনা পাচ্ছে।
এই ঐক্য ও সাংগঠনিক পুনর্জাগরণের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন শহর শ্রমিক দলের আহবায়ক আমানত শাহ। অক্লান্ত পরিশ্রম, সাংগঠনিক মেধা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগের মাধ্যমে তিনি শ্রমিক সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।
আমানত শাহ শুধু বর্তমান নয়, অতীতেও ছিলেন দলের নির্ভরযোগ্য ত্যাগী নেতা। সেরাচারের সময় দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েও তিনি দলীয় আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। টানা ১৭ বছর ধরে কঠোর আন্দোলন ও দলের জন্য তার অবদান নেতাকর্মীদের মনে গভীরভাবে স্থান করে নিয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন (১৮ই অক্টোবর)শহর শ্রমিক দলের সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এ সম্মেলনে আমানত শাহকে সভাপতি করার বিষয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে। অনেকের মত,শ্রমিক দলের ঐক্য, সততা ও সাংগঠনিক দক্ষতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বর্তমানে তার কোনো বিকল্প নেই।
একাধিক ইউনিটের নেতারা বলেন, আমানত ভাইয়ের নেতৃত্বে সংগঠন নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তার মতো ত্যাগী ও যোগ্য নেতৃত্ব বর্তমান সময়ে সংগঠনের জন্য অপরিহার্য।
জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দও বারবার আহ্বান জানাচ্ছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও আগামী রাষ্ট্র গঠনের লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য। কক্সবাজারে শহর শ্রমিক দলের ঐক্যবদ্ধ প্রস্তুতি আগামী জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।