শিক্ষার আলোয় ফিরে আসুক সুখছড়ী—আলহাজ্ব নাজমুল মোস্তফা আমিনের হাত ধরেই হোক নতুন সূচনা

 

কামরুল ইসলাম সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম-১৫ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সুখছড়ী গ্রামের কৃতী সন্তান ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব নাজমুল মোস্তফা আমিন। সুখছড়ী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অদূরে তাঁর নিজ বাসভবন—এই ভৌগোলিক নৈকট্যের চেয়েও গভীর তাঁর আত্মিক সম্পর্ক বিদ্যালয়টির সঙ্গে। কারণ, আজ যে আধুনিক রূপে বিদ্যালয়টিকে দেখা যায়, তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল তাঁরই উদ্যোগ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে।
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নে যে অভাবনীয় অবদান রেখেছেন, তা আজও স্মরণীয়। প্রযুক্তির ছোঁয়া লাগিয়ে বিদ্যালয়ে প্রথম কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন, প্রাতিষ্ঠানিক বেতনে খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা, শিক্ষকদের জন্য আধুনিক মিলনায়তন নির্মাণ—এসব উদ্যোগ বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়নে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। শুধু নীতিগত সিদ্ধান্তেই নয়, ব্যক্তিগত উদ্যোগেও বিদ্যালয়ের বহু ব্যয়ভার তিনি নিজ কাঁধে বহন করেছেন, যা তাঁর প্রকৃত শিক্ষানুরাগী সত্তারই উজ্জ্বল প্রকাশ।
দুঃখজনকভাবে, ফ্যাসিস্ট আমলে যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কালা ফারুক জোরপূর্বক সভাপতি পদে টানা ছয়বার বিনা ভোটে অধিষ্ঠিত থেকে দলীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। এর ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তেমনি অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলাও ভেঙে পড়েছে—যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের আচরণ ও মননে। আজ বিদ্যালয়টি নানা সমস্যায় জর্জরিত; শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও শৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারে একজন দক্ষ, অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল অভিভাবকের প্রয়োজন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।
আলহাজ্ব নাজমুল মোস্তফা আমিন এই বিদ্যালয়েরই প্রাক্তন ছাত্র, আবার সফল সভাপতিও। তাই বিদ্যালয়ের উন্নয়ন তাঁর কাছে কেবল একটি দায়িত্ব নয়—এটি তাঁর আত্মিক টান, শিকড়ের টান। সুখছড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সোনালী দিনগুলো ফিরিয়ে আনা, শিক্ষার মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, শৃঙ্খলাবদ্ধ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাই তাঁর অঙ্গীকার।
শিক্ষার আলোয় আবারও উজ্জ্বল হোক এমনটা প্রত্যাশী সুখছড়ীবাসী। আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনকে সঙ্গে নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আলহাজ্ব নাজমুল মোস্তফা আমিনকে জয়যুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন অভিভাবকমহল। তাই অভিভাবকদের এমন প্রত্যাশা ভোটই বদলে দিতে পারে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও আগামীর সম্ভাবনা।

শেয়ার করুনঃ