সম্মুখে হাসে, মিষ্টি বচন দিয়ে মায়া সাজায়,
পেছনে লুকিয়ে রাখে ছুরি, ভেতরে কেবল স্বার্থের খেলা।
যে আজ তোমার পাশে, কাল অন্য পথে চলে যায়,
বন্ধুত্বের বীজে জন্মায় শুধু কাঁটা, ফুল নয়।
ভরসার ঘর তারা নিঃশব্দে ভেঙে দেয়,
ভালোবাসার আলো নিভিয়ে দেয় নিঃসঙ্গতায়।
যাদের ওপর তুমি ভরসা করেছিলে,
তারা কখনো তোমার বিশ্বাসের দাম বোঝে না।
বেইমানির ছায়া ধীরে ধীরে ছুঁয়ে যায় অন্তর,
হারানোর ব্যথা মিশে যায় চোখের জল ও নিঃশ্বাসে।
যার হাসিতে তুমি স্বস্তি পেতে,
তার চুপচাপ বিদ্রোহ হয়ে ওঠে সবচেয়ে গভীর ক্ষত।
তবু মনে রাখো—সব ছায়া চিরস্থায়ী নয়,
যে সত্যে দৃঢ়, সে অটল থাকে সব সময়।
হৃদয় যতই ক্ষতবিক্ষত হোক, তা নতুন করে ফুলে ওঠে,
কারণ সত্যের আলো কখনো নিভে যায় না, অমোঘ স্রোতের মতো।
বিশ্বাসঘাতকরা ছড়িয়ে দেয় ধোঁয়া,
তাদের প্রতারিত মনরা কখনো শান্তি পায় না।
যারা বেইমানি বোনে, তারা হারায়
সময়ই তাদের চূড়ান্ত বিচারক, তাদের মুখে আসে শুধু অভিশাপ।
যে মানুষ সত্যিকারের বিশ্বস্ত,
তার হৃদয় শিখে যায় কষ্টের মাঝেও ধৈর্য ধরতে।
কারণ প্রতারিত হওয়ার ব্যথা হয় শক্তিতে পরিণত,
আর যারা সত্য পথে থাকে, তারা অটল—অপরাজেয়।
বেইমানির কাহিনি সারাজীবন ধরে ছড়িয়ে থাকে,
কিন্তু তাদের ছায়া কখনো হৃদয়ের আলো নষ্ট করতে পারে না।
যে আশা, যে বিশ্বাস, যে ভালোবাসা
সেগুলোই চিরস্থায়ী, অমর।
বিশ্বাসঘাতকরা হাসে, প্রতারণা ছড়িয়ে দেয়,
কিন্তু তাদের জয় হয় কেবল ক্ষণস্থায়ী।
আসল বিজয়ী হল যারা সত্যে অটল,
যারা অন্তরের আলোতে বিশ্বাস রাখে,
যারা ভালোবাসার মূল্য বোঝে,
যারা ধৈর্য, সততা ও সাহস নিয়ে জীবন কাটায়।
তারা হারায়—বিশ্বাসঘাতক বেইমানরা,
আর যারা বিশ্বাসে অটল থাকে, তারা বেঁচে থাকে চিরকাল,
সময়ের ছাঁদেও অটল, মানুষের হৃদয়েও অমর।