মোঃ আহসান হাবীব সুমন, নিজেস্ব প্রতিবেদক :
জামালপুর পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ড বাগেরহাট গ্রামের সাজ্জাদ হোসেনের মেয়ে খাদিজা (০৮) জোদ্দার নামে (৪৫) এক নর’পশুর হাতে নির্মম ভাবে ধর্ষনের শিকার হয়ে,জামালপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে নিজ বাড়িতে রহিয়াছে। ধর্ষণের পর থেকেই ধর্ষক পলাতক রহিয়াছে,ধর্ষিতা খাদিজা মানবেতর জীবন যাপন করছে বাবা অসহায় হয়ে ঘুরছে বিচারের জন্য মানুষের দোয়ারে দোয়ারে। মহল্লার কিছু অসাধু ব্যক্তিবর্গ দামা’চাঁপা দেয়ার জন্য খাদিজার পরিবারের উপর নানা ভাবে দিচ্ছে চাপ ও হুমকি যেন আইনি পদক্ষেপে না যায়।
মহল্লার কিছু অসাধু ব্যাক্তি বা পঞ্চায়েতে কমিটির কাছে হার মেনে গেল পুরো একটা সমাজ, রাষ্ট্রীয় আইন বা ইসলামিক আইন যা সমাজ ব্যবস্থাপনা অবনতি ঘটিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নারী শিশু ধর্ষণের মহা এক অন্ধকার জগতে।
তাদের সহযোগীতায়, সমাজের “মা” বোন’দের ধর্ষণ করবে আর নাম কিছু নেতা বা পঞ্চায়েত কমিটির লোক জন টাকা খেয়ে রাতারাতি মিমাংসার নামে করবে টাকা নিয়ে ব্যবসা তাদের স্বার্থে যার শিকার খাদিজা ও তার পরিবার এ কেমন আইন। যেন কেউ নেই এই অপরাধ জগতের গডফাদার দের বলার বা দমন করার মতো, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কেন নিরব’ভৃমীকায়।
এই ভাবে ‘কি পার পেয়ে’যাবে ধর্ষক সমাজ ব্যবস্থাপনা বিকৃতি ঘটিয়ে কিছু নামধারী নেতার আসকারাই বেঁচে যাবে অমানুষ নরপিচাশ ধর্ষকরা।
যে বা যাঁহারা ধর্ষকের পক্ষে খাদিজার জীবন টাকে নাটকীয় ভাবে নিস্তেজ করে দিচ্ছে তাদের সহ ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে আকুল আবেদন জানান মহল্লার গুণিজনরা জেলা প্রশাসক , জেলা পুলিশ সুপার , সমাজসেবা অধিদপ্তর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন অধিদপ্তরের কাছে।