মোঃ মাহবুব আলম
বিশেষ প্রতিনিধি
১। গত মাসে ডিবি ইন্টেলিজেন্স এর সাথে যোগাযোগ করলে জানা যায় একটি হ্যাকার গ্রুপ দীর্ঘদিন যাবত যেকোনো অপারেটরের সিম নাম্বারের এন আই ডি পরিবর্তন করে তা ক্লোন করে এবং সিম ক্লোনিং এর মাধ্যমে স্মার্ট ফোন হ্যাক করে এবং এর মাধ্যমে সেই সিম নাম্বারের দ্বারা নিবন্ধিত সকল অনলাইন প্লাটফর্মের যাবতীয় তথ্য যেমন সিম মেসেজ ও কল, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ও কল, ফেসবুক ও বিজনেস পেজ পোস্ট, ওটিপি, যেকোনো অনলাইন ব্যাংকিং ইনফরমেশন, ইমেইল ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তথ্য পরিবর্তন করতে পারে এবং অর্থের বিনিময় লেনদেন করে থাকে । এছাড়াও স্মার্টফোন হ্যাক করার মাধ্যমে ফোনের ফ্রন্ট ও ব্যাক ক্যামেরা এবং সাউন্ড সিস্টেম কন্ট্রোল করে সিম ওনারের প্রতিমুহূর্তের ভিডিও এবং অডিও প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিনিয়ত রেকর্ডিং করে থাকে। মোবাইলের জিপিএস ব্যবহার করে সিম ওনারের যে কোন মুহূর্তের লোকেশন ট্র্যাক করতে পারে।
২। ভুক্তভোগী তার স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বিগত ২০১৩ সালে কলাবাগান থানাধীন ৭৬/৭৭ নং ভূতের গলি গ্রীন রোডস্থ কেয়ার স্বপ্নপুরী নামক বিল্ডিং এর দ্বিতীয় তলার এ-১ ফ্ল্যাটে ভাড়ায় উঠেন। হ্যাকাররা একই বিল্ডিং এর বিভিন্ন ফ্লাটে ভাড়ায় থাকতেন। ভুক্তভোগীর ফ্ল্যাট এর বিপরীত পাশে ই -১ ফ্লাটে তিনজন হ্যাকার বসবাস করতেন এবং তারা পরিচিত- অপরিচিত নারী ও পুরুষ আনিয়া অসামাজিক কার্যকলাপ পরিচালনা করতেন। ভুক্তভোগী হ্যাকারদের অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধের জন্য বারংবার চাপ প্রয়োগ করলে হ্যাকাররা ভুক্তভোগী ও তার সংগীদের মারপিট করেন।
৩। অতঃপর হ্যাকারদের অসামাজিক কার্যকলাপের বিষয়ে সকলে জানাজানি হইলে আসামিগণ ভুক্তভোগীকে শায়েস্তা করার জন্য প্রথমে বাদীর বেডরুমে জানালা বরাবরে গোপন ক্যামেরা স্থাপন করে এবং ভুক্তভোগী ও তার স্ত্রীর কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ধারণ করে এবং উক্ত ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করবে বলিয়া হুমকি প্রদান করে। তাছাড়াও ভুক্তভোগীকে বিভিন্ন সামাজিক ও মানসিকভাবে হেনস্থা করতে থাকে।
৪। এরপর ভুক্তভোগী নিরুপায় হয়ে উল্লেখিত ফ্ল্যাটটি ভাড়া ছাড়িয়া ধানমন্ডি ৬ নং রোডের একটি বাড়িতে ফ্লাট ভাড়া নেন।তাহার পর কিছুদিন অতিবাহিত হতে না হতে হ্যাকাররা বিভিন্ন ছদ্মবেশে যেমন ডিস ও ইন্টারনেটের লোক, এসি মিস্ত্রি, ইলেকট্রিক মিস্ত্রি, গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহকারী হয়ে বেআইনি প্রবেশের মাধ্যমে আবারো একই কাজ করে। এ সময় তারা মোবাইল সিম ক্লোনিং ও স্মার্টফোন হ্যাকিং এর মাধ্যমে মেসেজ ও কল ফরওয়ার্ডিং, ব্যক্তিগত, ব্যবসায়িক ও দাপ্তরিক সবগুলো ইমেল, ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক ফেসবুক, হোয়াটসাপ এবং ভুক্তভোগীর বিভিন্ন বিজনেস পেইজ হ্যাক করে। উক্ত হ্যাকারগণ হ্যাকিং এর মাধ্যমে ভুক্তভোগীর অনেক বছরের ই-মেইল মুছে ফেলে যাতে ভুক্তভোগী লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হন এবং মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। এমতাবস্থায় ভুক্তভোগী তার গ্রামীণফোন সিমের মাধ্যমে কোথাও কোন জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করতে পারতেন না। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী অনুসন্ধানী হয়ে খোঁজ খবর নিলে জানতে পারেন যে মোহাম্মদপুর, মিরপুর এবং সাভার এলাকাতেও ওই হ্যাকার চক্রের বিভিন্ন সদস্য উপরে উল্লেখিত বিভিন্ন পেশায় জড়িত থেকে টার্গেটেড মানুষদের বাসা বাড়িতে গোপন ক্যামেরা স্থাপন করে বিশ্বের সবচেয়ে এক্সপেন্সিভ কনজুগাল লাইভ পর্ন রেকর্ড করে এবং তা লাইভ এবং রেকর্ডেড পর্ন হিসেবে বিভিন্ন মাধ্যমে সম্প্রচার করে।
৫। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে ভুক্তভোগী ভারতে অফিসিয়াল ট্যুরে থাকাকালীন অবস্থায় ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে বিভিন্ন কোম্পানিতে যোগাযোগের উদ্দেশ্যে একাদিক্রমে দুইটি ভিন্ন ভিন্ন অপারেটরের ভারতীয় সিম ক্রয় করেন কিন্তু কোন সিম এর মাধ্যমেই তিনি তার প্রয়োজনীয় নম্বরগুলোতে যোগাযোগের ব্যর্থ হন। একই সাথে হ্যাকাররা ভুক্তভোগীর ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন হ্যাক করে অফিসিয়াল সকল ইমেইল ডিলিট করে দেয়। ফলশ্রুতিতে ভুক্তভোগী ভারতের ট্যুরে থাকা অবস্থায় অত্যন্ত অসহায় হয়ে ভারতের তিনটি প্রদেশের পুলিশের শরণাপন্ন হয়ে অভিযোগ করেন। ভারতীয় পুলিশ ভুক্তভোগীকে কোনরকম সহায়তা করতে না পারায় তিনি অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হন। ভুক্তভোগী তখন বুঝতে পারেন যে হ্যাকাররা আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধী এবং তাহাদের নেটওয়ার্ক এত বিস্তৃত যে সমগ্র বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক পর্যায়েও হ্যাকিংয়ের সাথে তারা জড়িত। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ১ মাসের ট্যুর ১৫ দিনে শেষ করে দেশে ফিরে ০৭/০৮/২০১৮ ইং তারিখে উল্লেখিত বিষয়ে ধানমন্ডি থানায় ৩৬৬ নং জিডি এন্ট্রি করেন।
৬। এর মধ্যে হ্যাকাররা ভুক্তভোগীকে তার সকল অনলাইন প্লাটফর্ম হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে হেনস্থা করতে থাকে। ভুক্তভোগী এ বিষয়ে ধানমন্ডি ও কলাবাগান থানা, RAB-2, ডিবি সাইবার ব্রাঞ্চ সকলকে অবহিত করেন। কিন্তু বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো প্রযুক্তিগতভাবে দুর্বল হওয়ায় হ্যাকারদের ভারতীয় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে ২২/০৫/২০২৫ ইং তারিখে হ্যাকাররা ভুক্তভোগীর সাভারে অবস্থিত নিজ বাসায় এসে ভুক্তভোগীকে মারধোর করে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে অন্যথায় ভুক্তভোগীকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী ১৮/০৬/২০২৫ ইং তারিখে চিফ জুডিশিয়ার ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সাভার, ঢাকা বরাবর একটি সি আর মামলা নং- ১০৫৯/২৫ দাখিল করেন যা সাভার থানায় তদন্তভার দেয়া হয়। পরবর্তীতে সাভার থানায় বারংবার যোগাযোগ করা সত্ত্বেও তদন্তে কোন অগ্রগতি না হওয়ার কারণে ভুক্তভোগী নিরাশ হয়ে পড়েন।
৭। এরপর হ্যাকাররা ২৪/০৮/২০২৫ ইং তারিখে ভুক্তভোগী কলাবাগান এলাকায় অবস্থানকালে তার ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়ীক ইমেইল পুনরায় হ্যাক করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় এবং সকল ইমেইল ডিলিট করে দেয় । এ সময় ভুক্তভোগী একই তারিখে কলাবাগান থানায় ১৪৭৬ নং জিডি এন্ট্রি করেন। পরবর্তীতে হ্যাকাররা ০৭/০৯/২০২৫ ইং তারিখে ভুক্তভোগীর ফেসবুক ও বিজনেস পেজ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে যার ফলে ভুক্তভোগী সামাজিক ও ব্যবসায়ীক কোন কার্যক্রম পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হওয়ায় লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি সম্মুখীন হয়েছেন। এ অবস্থায় ভুক্তভোগী স্থানীয় থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ সাইবার ট্রাইবুনাল আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন।
৮। এর পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ব্যবসায়িক কাজে ঢাকার বাইরে অবস্থান করায় মামলা দাখিল এর কাজ কিছুটা বিলম্ব হয়। ঢাকায় ফিরে এসে ভারতে ভ্রমণকালীন ও পরে বাংলাদেশে অবস্থানকালীন সময় এ সাইবার হ্যাকিংয়ের সকল প্রমাণাদি একত্র করে মামলার প্রস্তুতিকালে গত ৩০/১০/২০২৫ ইং তারিখে আসামিগণ ভুক্তভোগীর নিজ নামে ও এন আই ডি তে রেজিস্টারকৃত গ্রামীণফোন সিম নাম্বার ০১৩০৮৬৮৬৫৬৪ যা একই সাথে ভুক্তভোগীর ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহৃত হয় তা অন্য একটি এন আই ডি ৮২২১১৯১৪২৫ এর মাধ্যমে ডিএক্টিভেট করে দেয়। ফলে গ্রামীণফোন সিম নাম্বার ০১৩০৮৬৮৬৫৬৪ এর সাথে নিবন্ধিত ভুক্তভোগীর একমাত্র বিকাশ অ্যাকাউন্টটিও ডিএক্টিভেট হয়ে যায়। এমত অবস্থায় ভুক্তভোগী কারো সাথে হোয়াটস্যাপেও যোগাযোগ করতে না পেরে এবং বিকাশ অ্যাকাউন্ট এর টাকা উত্তোলন করতে না পেরে অত্যন্ত অসহায় হয়ে পড়েন। ভুক্তভোগী গ্রামীণফোনের বসুন্ধরা সিটি গ্রামীণফোন সেন্টারে যোগাযোগ করতে গেলে দেখতে পান হ্যাকারদের একজন সেই সেন্টারের কর্মকর্তা এবং ভুক্তভোগী তার সিম নাম্বারের অন্য এনআইডি থেকে ডিএক্টিভেশনের বিষয়ে সেই কর্মকর্তাকে অবহিত করলে তিনি তা উড়িয়ে দেন এবং গ্রামীনফোন সেন্টার বসুন্ধরা সিটি শাখা এ বিষয়ে কোনো রকম সহযোগিতা করতে অক্ষমতা প্রকাশ করেন এবং ভুক্তভোগীকে প্রায় অপমান করে সেন্টার থেকে চলে যেতে বলেন। পরবর্তীতে সম্পূর্ণ বিষয়টি গ্রামীণফোনের হেড অফিসে অবহিত করলে তারা সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করার পরামর্শ দেন। সে অনুযায়ী ভুক্তভোগী বিগত ০৩/১১/২০২৫ ইং তারিখে সাভার থানায় ২৪৯ নং জিডি এন্ট্রি করেন। পরবর্তীতে তদন্তের ভিত্তিতে সাভার থানা কর্তৃপক্ষ হ্যাকারদের সাথে গ্রামীনফোনের সম্পৃক্ততার বিষয়টি অনুধাবন করে সাইবার ট্রাইবুনাল কোর্ট এ একটি মামলা দায়েরের পরামর্শ দেন। বিষয়টি ভুক্তভোগী তার পরিচিত অন্যান্য মহলে আলোচনা করলে তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে সকলেই এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন।
৯। পরবর্তীতে হ্যাকারদের নাম ও বর্তমান ঠিকানা সন্ধান করতে গেলে জানা যায় ভুক্তভোগী উক্ত বাড়িতে থাকাকালীন অবস্থায় প্রথম সাতজন হ্যাকার তাদের নাম পরিবর্তন করে ছদ্মনামে অবস্থান করছিলেন এবং পরবর্তীতে ভুক্তভোগী ফ্লাট ছেড়ে চলে গেলে তারা পুনরায় স্বনামে অবস্থান শুরু করেন। ভুক্তভোগী, তার স্ত্রীর পাঁচটি গ্রামীণফোন সিম এবং একটি রবি সিমসহ পরিচিত বহু সরকারি, বেসরকারি ও ব্যবসায়ী শুভাকাঙ্ক্ষীর একাধিক সিম একইভাবে হ্যাক করা হয়েছে এবং তাদের তথ্য আদান-প্রদান সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রিত যার অকাট্য প্রমাণ ভুক্তভোগীর কাছে বিদ্যমান রয়েছে।
১০। এ বিষয়ে ঢাকা সাইবার ট্রাইবুনাল কোর্টে ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে নভেম্বর ২০২৫ সালে গ্রামীনফোনসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন এবং বিষয়টির আবেদন অনুলিপি জননিরাপত্তা বিভাগ (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), সুরক্ষা সেবা বিভাগ (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়), ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় বরাবর প্রেরণ করেছেন।
নিচে হ্যাকারদের কয়েকজনের সম্ভাব্য নাম ঠিকানা প্রকাশ করা হলো:
১। ফাহিম চৌধুরী ওরফে নাফি ওরফে নাকিব (২৮)
২। আমান চৌধুরী ওরফে রাফি ওরফে সাকিব (২৪)
৩। মো: নোমান চৌধুরী (৫৫)
৪। ফাতেমা আক্তার (৪৫)
৫। সুজন ওরফে সৃজন (৩৮)
৬। সোহান (৩৫)
৭। সোহাগ (৩২)
ঠিকানা: কেয়ার স্বপ্নপুরী বাড়ি নং: ৭৬/৭৭, ভুতের গলি, গ্রীন রোড , ধানমন্ডি, ঢাকা -১২০৫
৮। আব্দুল্লাহ (২৮)
ঠিকানা: বাড়ি নং-১৪, গ্রীন কর্নার, গ্রীন রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা ১২০৫
৯। পরশ (৩৫)
১০। পরাগ (৩৭)
১১। অর্ক (২৮)
ঠিকানা: বাড়ি নং-১৩, গ্রীন কর্নার, গ্রীন রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা ১২০৫
১২। রুদ্র (৪০)
১৩। জীবন (৪৩)
ঠিকানা: ভূতের গলি, গ্রীন রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫
১৪। হাসিবুল (৩০)
ঠিকানা: ভাটপাড়া, সাভার, ঢাকা-১৩৪৩
বিশেষ দ্রষ্টব্য-১: ভূতেরগলি, গ্রীনকর্নার গলি, গ্রীন রোড, কলাবাগান ও ধানমন্ডির অনেকে অধিবাসী নিজ নামে এবং ছদ্মনামে এই চক্রের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।
বিশেষ দ্রষ্টব্য-২: এই বিবৃতিতে উল্লেখিত প্রতিটি শব্দের উপযুক্ত ও অকাট্য প্রমাণ ভুক্তভোগীর কাছে বিদ্যমান।